বীরভূমকে একরকম জেলা বলে পড়া যায় না। এই জেলার একদিকে রয়েছে বোলপুর-শান্তিনিকেতনের সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাকেন্দ্রিক অঞ্চল, অন্যদিকে রামপুরহাট-সংলগ্ন পাথর ও খনি-নির্ভর অর্থনীতি, কোথাও সংখ্যালঘু-প্রধান গ্রামীণ
উত্তর ২৪ পরগনা: সীমান্ত, শহরতলি, পুরসভা-রাজনীতি, উদ্বাস্তু-মতুয়া আবেগ, সংখ্যালঘু বেল্ট আর ঘনবসতিপূর্ণ পরিষেবা-চাপের এক জটিল জেলা
উত্তর ২৪ পরগনাকে একরকম জেলা বলে পড়া যায় না। এই জেলার একদিকে বনগাঁ-সংলগ্ন সীমান্ত ও মতুয়া-প্রভাবিত বেল্ট, অন্যদিকে বসিরহাট-হাড়োয়া-দেগঙ্গার সংখ্যালঘু-প্রধান অঞ্চল, আবার ব্যারাকপুর শিল্প-শহরতলি বলয়,
উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর: সীমান্ত, কৃষি, সংখ্যালঘু ভোট, তফসিলি সমাজ আর বদলে যাওয়া উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পরীক্ষাগার
উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরকে একসঙ্গে পড়লে কিছু মিল দেখা যায়, কিন্তু দুই জেলার রাজনৈতিক চরিত্র এক নয়। দু’জেলাতেই সীমান্তের প্রভাব আছে, কৃষিনির্ভর অর্থনীতি আছে, প্রান্তিক
এক রাজ্য, বহু প্রশ্ন: বাংলার ভোটের আসল গল্প
বাংলার ভোটকে সহজ করে পড়ার একটা প্রবণতা আছে—এই দল বনাম ওই দল, এই মুখ বনাম ওই মুখ।কিন্তু বাস্তবটা তার চেয়ে অনেক জটিল।এই নির্বাচন আসলে একটিমাত্র
বাঁকুড়া: জঙ্গলমহলের মাটি, খরা, কাজ, আদিবাসী-গ্রামীণ সমাজ আর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার জেলা
বাঁকুড়াকে একরকম জেলা বলে পড়া যায় না। এটি জঙ্গলমহলের অংশ, কিন্তু পুরো জেলায় এক ধরনের ভোটের মানসিকতা কাজ করে না। কোথাও খরা ও জলকষ্ট বড়
হুগলি: শিল্প, কৃষি, শহরতলি, পুরনো বামভিত্তি আর নতুন তৃণমূল-বিজেপি প্রতিযোগিতার এক বহুস্তরীয় জেলা
হুগলিকে একক রাজনৈতিক মানচিত্র হিসেবে পড়া যায় না। এই জেলার একদিকে গঙ্গার ধারের পুরনো শিল্পাঞ্চল, অন্যদিকে উর্বর কৃষিবেল্ট, কোথাও শহরতলি ও দ্রুত বদলে যাওয়া আবাসন-বাস্তবতা,