There is something deeply wrong with an election in which the most urgent question is not who should govern, but who gets to vote at
কলকাতা: পুরনো শহর, মধ্যবিত্ত দক্ষিণ, বন্দর-শ্রমজীবী অঞ্চল আর ঘনবসতিপূর্ণ উত্তর শহরের বহুস্তরীয় রাজনীতি
কলকাতাকে একরকম রাজনৈতিক এলাকা বলে পড়া যায় না। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় এটি শাসকদলের শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু ভেতরে ঢুকলে বোঝা যায়, উত্তর কলকাতার পুরনো
পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান: একদিকে ধানের ভাঁড়ার, অন্যদিকে শিল্পাঞ্চল — আর তার মাঝখানে বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা
পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানকে একসঙ্গে পড়লে একটি বড় আঞ্চলিক ছবি তৈরি হয়, কিন্তু দুই জেলার রাজনৈতিক চরিত্র এক নয়। পূর্ব বর্ধমান মূলত কৃষিনির্ভর, তুলনামূলকভাবে সমতল,
দার্জিলিং ও কালিম্পং: পাহাড়ি পরিচয়, গোর্খাল্যান্ডের প্রশ্ন, চা-বাগান, পর্যটন আর রাজনৈতিক আস্থার জটিল অঞ্চল
দার্জিলিং ও কালিম্পংকে একসঙ্গে পড়লে একটি বড় পাহাড়ি রাজনৈতিক ছবি তৈরি হয়, কিন্তু দুই জেলার রাজনৈতিক মনস্তত্ত্ব পুরোপুরি এক নয়। এই অঞ্চলে ভোট কেবল রাজ্যস্তরের
পূর্ব মেদিনীপুর: উপকূল, কৃষি, মৎস্য, শিল্প, নন্দীগ্রামের স্মৃতি আর শক্তিশালী স্থানীয় নেতৃত্বের জটিল জেলা
পূর্ব মেদিনীপুরকে একরকম জেলা বলে পড়া যায় না। এই জেলার একদিকে কাঁথি-রামনগর-দিঘার উপকূল ও মৎস্যজীবী বেল্ট, অন্যদিকে তমলুক-পাঁশকুড়া-ময়নার কৃষিনির্ভর অঞ্চল, আবার হলদিয়ার শিল্প-নগরী, আর নন্দীগ্রামের
পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম: জঙ্গলমহল, কৃষি, আদিবাসী বেল্ট, শহর-সংলগ্ন পরিষেবা আর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক আনুগত্যের এক জটিল অঞ্চল
পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামকে একসঙ্গে পড়লে একটি বড় আঞ্চলিক ছবি তৈরি হয়, কিন্তু এই দুই জেলার রাজনৈতিক চরিত্র পুরোপুরি এক নয়। দু’টিই জঙ্গলমহল বলয়ের অংশ,